Presidential Fight: রাষ্ট্রপতি পদে এবার লড়াই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে প্রাক্তন রাজ্যপালের

presidential-fight-between-yashwant-sinha-droupadi-murmu

Presidential Fight: রাষ্ট্রপতি পদে এবার লড়াই  প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে প্রাক্তন রাজ্যপালের

রাষ্ট্রপতি (president) পদে লড়াই জমে গেল। এবার লড়াই হতে চলেছে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশোবন্ত সিনহা (yashwant sinha)  এবং ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মুর (droupadi murmu) মধ্যে। 

মঙ্গলবার প্রার্থী ঠিক করতে বৈঠকে বসে বিরোধীরা। সংসদের অ্যানেস্ক হলে শারদ পাওয়ার এই বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন। সেখানে অটল বিহারি বাজপেয়ী আমলের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী যশোবন্ত সিনহাকে (yashwant sinha) বিরোধীদের সম্মিলিত প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। যশোবন্ত ইতিমধ্যে তৃণমৃল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। বিরোধীদের প্রার্থী ঘোষণার আগেই তিনি তৃণমৃল কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দেন। ভোটাভুটি এড়াতে বিরোধীদের পক্ষ থেকে তাদের প্রার্থী যশোবন্তকে সমর্থনের জন্য সরকার পক্ষের কাছে আর্জি জানানো হয়। সরকার অবশ্য সেই নিয়ে কর্ণপাত করেনি।

চমকের অবশ্য আরও বাকি ছিল। সন্ধ্যায় এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী ঘোষণার কথা ছিল। অনেকগুলি নাম ঘোরাফেরা করে। সকলকে পিছনে ফেলে দেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মু (droupadi murmu)। দেশের যা রাজনৈতিক চালচিত্র, তাতে বলাই যায় সাঁওতালি বংশোদ্ভূত এই রমণীই হতে চলেছেন রামনাথ কোবিন্দের উত্তরসূরি।

কে এই দ্রৌপদী মুর্মু? (Who is Droupadi Murmu?)

ওড়িশায় শিক্ষিকা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন দ্রৌপদীদেবী। ১৯৯৭ সালে সালে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। বিজেপির তফসিলি মোর্চার সহ সভানেত্রী হিসেবে কাজ করার পর ওড়িশার রায়রংপুর কেন্দ্র থেকে ২০০০ সালে তাঁকে প্রার্থী করে বিজেপি। প্রথম বারেই জিতে তিনি বিধায়ক হন। ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বার ওই কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হন। ২০০০ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত ওড়িশার বিজেপি-বিজেডি মন্ত্রিসভায় তিনি বাণিজ্য ও পরিবহণ মন্ত্রী হন তিনি। এছাড়াও মৎস্য ও পশুপালন দপ্তর ছিল তাঁর হাতে। ২০১৫ সালে তাঁকে ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল করা হয়। 

তাই এবার রাষ্ট্রপতি পদের লড়াই হবে প্রাক্তন মন্ত্রী বনাম প্রাক্তন রাজ্যপালের মধ্যে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ